সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামাতে হবে

  • আপলোড সময় : ২৬-০৭-২০২৫ ১২:০১:১৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৬-০৭-২০২৫ ১২:০১:১৯ পূর্বাহ্ন
সড়কে মৃত্যুর মিছিল থামাতে হবে
শান্তিগঞ্জ ও জগন্নাথপুর উপজেলায় পৃথক দুটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনটি প্রাণ ঝরে গেছে, আহত হয়েছেন অন্তত আটজন। এ খবর শুধু একটি দুঃখজনক ঘটনার বিবরণ নয়; বরং এটি আমাদের অব্যবস্থাপনা, দায়িত্বহীনতা ও সড়ক নিরাপত্তার অভাবের প্রতিচ্ছবি। প্রতিনিয়তই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এভাবে অকালে প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তেমন কোনো কার্যকর প্রতিকার দেখা যাচ্ছে না। শান্তিগঞ্জে মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজি চালক ও চার মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে আহত হয়েছেন আরও ছয়জন। আর জগন্নাথপুরে এক তরুণ বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন, বেঁচে থাকা দুই বন্ধু মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। এসব ঘটনার পেছনে অতিরিক্ত গতি, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, লাইসেন্সবিহীন চালক এবং মহাসড়কে অব্যবস্থাপনা - সবকিছুই দায়ী। অহরহ দেখা যায়, সড়কে চলাচলকারী লেগুনা, মোটরসাইকেল ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার অনেকগুলোরই লাইসেন্স নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, বা চালকের যথাযথ প্রশিক্ষণ নেই। আবার বেশিরভাগ দুর্ঘটনায় ‘দায়ী’ যানটি দুর্ঘটনার পরপরই পালিয়ে যায় বা চালককে খুঁজে পাওয়া যায় না। আইন প্রয়োগে এই ব্যর্থতা সড়ককে আরও বিপজ্জনক করে তুলছে। প্রকৃতপ্রস্তাবে, সড়ক দুর্ঘটনাকে ‘দৈব ঘটনা’ হিসেবে দেখার দিন শেষ। এখন প্রয়োজন পরিকল্পিত পদক্ষেপ। প্রতিটি দুর্ঘটনার বিচারিক তদন্ত হওয়া জরুরি, যাতে দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা যায়। মহাসড়কে চলাচলরত সব যানবাহনের বৈধতা যাচাই, চালকদের প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স নিশ্চিতকরণ এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানো জরুরি। স্থানীয় প্রশাসন, হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে নিয়মিতভাবে অভিযান চালানো যেতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- নাগরিকদের সচেতনতা। চালকদের যেমন ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলতে হবে, তেমনি যাত্রীদেরও সচেতন হতে হবে নিরাপদ ভ্রমণের ব্যাপারে। প্রতিটি দুর্ঘটনা আমাদের সচেতন করার জন্য একটি সতর্কবার্তা। সঠিক পদক্ষেপ না নিলে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর মিছিল থামবে না। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি- জনগণের জীবন রক্ষায় উদ্যোগী হোন। কারণ, প্রতিটি প্রাণ অমূল্য।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স